হেরে গেলেন মৌসুমি, দায়িত্বে ফের মিশা-জায়েদ প্যানেল


বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আবারও জয় পেয়েছে মিশা-জায়েদ প্যানেল। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে লড়ে হেরে গেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। এতে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২২৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মৌসুমি পেয়েছেন ১২৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ পেয়েছেন ২৮৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

সে মোতাবেক আগামী দুই বছরের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর আর সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া অন্যান পদে জয় লাভ করেছেন সহসভাপতি – ডিপজল ও রুবেল, সহসাধারণ সম্পাদক – আরমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক – ইমন এবং সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক – জাকির হোসেন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচনে তিন পদে বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছে তিনজন। তারা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ।

এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে লড়েছেন ২৭ জন শিল্পী। নির্বাচনে ৪৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ৩৮৬টি। লচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে শুধু একটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খান। এর বাইরে অন্যরা স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছেন।

এবারের নির্বাচনে পূর্ণ প্যানেল রয়েছে একটি। তা হচ্ছে মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল। নেল গঠন করতে চেয়ে সরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই সভাপতি পদে লড়েন মৌসুমি।

এ ছাড়া সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের পদে কয়েকজন স্বতন্ত্রভাবে লড়ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের বিপরীতে স্বতন্ত্রভাবে লড়ছেন ইলিয়াস কোবরা। সহসভাপতি দুটি পদে লড়ছেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ (স্বতন্ত্র)।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই নির্বাচন চলে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের ৩০মিনিট বেশি ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনে ভোটার কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে সংখ্যা। একে একে এফডিসিতে আসতে থাকেন অভিনয় শিল্পীরা।

এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। আর নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রয়েছেন পীরজাদা শহিদুল হারুন ও বিএইচ নিশান। আপিল বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে আলম খান, সদস্য হিসেবে রয়েছেন সোহানুর রহমান সোহান ও রশিদুল আমিন হলি।

আরও সংবাদ
error: You are under arrest !!