স্ত্রী-সন্তান রেখে ১৫ বছরের কিশোরীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ
নেত্রকোনা সদর উপজেলার নন্দুরা গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিপন মিয়া ওরফে রিপন ভিডিও নামে এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করেছেন। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযুক্ত রিপন মিয়া সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে তিনি পাশের নন্দুরা গ্রামে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রী-সন্তানসহ বসবাস শুরু করেন।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি প্রতিবেশী ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন রিপন। কিশোরীর বাবা একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করেন এবং মা বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন। স্থানীয়দের দাবি, তিন থেকে চার দিন আগে সুযোগ পেয়ে তিনি ওই কিশোরীর ওপর ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটান।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গত সোমবার সন্ধ্যায় তাকে আটক করে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং নন্দুরা গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আরও জানান, এর আগেও রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তানের পরিচয় গোপন করা এবং নিজের বাবা-মায়ের দেখাশোনা না করার অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে তিনি নিজের মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন বলেও জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিপন মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাড়া মেলেনি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, “এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো থানায় আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
