এবার আলুর দামও বেড়েছে


রাজধানীতে নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মধ্যে পিয়াজের পর এবার আলুর দামও বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দামে। আর প্রতিকেজি আলুর দাম বেড়েছে ৮ টাকা পর্যন্ত। পাশাপাশি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের আগাম সবজি শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, বেগুন, পটোল, ঢেঁড়স, ঝিঙ্গা, করলাসহ প্রায় সব সবজি।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, কাঁঠাল বাগান, রামপুরা, নিউমার্কেট, কাপ্তান বাজার, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা দরে। গত সপ্তাহে দেশি পিয়াজ ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আমদানি করা ভারতীয় পিয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, মিসরের পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। অথচ এক সপ্তাহ আগে আমদানি করা ভারতীয় পিয়াজ ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, মিসরের পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। হাতিরপুল বাজারে আসা ক্রেতা শফিক রায়হান বলেন, বাজারে পিয়াজের ঘাটতি নেই। তবে দাম বাড়ানোর পেছনে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট জড়িত। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতা কিরণ আলী বলেন, দেশি পিয়াজের ঘাটতি আছে। সরবরাহ বাড়লে আবারও দাম কমবে। দেখা যায়, গোল আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৮ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৮-২০ টাকা। অর্থাৎ বাজার ভেদে গোল আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৭-৮ টাকা। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী তাহের মিয়া বলেন, আলুর মজুদ শেষ হয়ে আসছে। কমছে সরবরাহ। ফলে দাম বেড়েছে। এদিকে, দাম অপরিবর্তিত রয়েছে মুলার দাম। আগের সপ্তাহের মতো মুলা বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে। কয়েক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া পাকা টমেটো ও গাজরের দাম এখনো চড়াই রয়েছে। এর সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লাউ, করলা, ঝিঙ্গে, বরবটি, বেগুন, পটোল, ঢেঁড়স, মিষ্টিকুমড়া, ধুন্দলসহ সব ধরনের সবজি। দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৪০-৩৫০ টাকা কেজি। এ ছাড়া তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০-১৫০ টাকা, শিং ৪০০-৬০০ টাকা, কাঁচকি ২৫০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৫৭০ টাকা, খাসি ৭০০-৮০০ টাকায়।

আরও সংবাদ